ডাঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন

ডাঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন (ডিএইচএমএস - বিএইচএমসি, ঢাকা)

স্ত্রীরোগ- ব্রেস্ট টিউমার ও ক্যান্সার, ওভারিয়ান টিউমার ও ক্যান্সার, জরায়ুতে টিউমার ও ক্যান্সার, অনিয়মিত মাসিক ও বন্ধ্যাত্ব, অনিয়মিত ও অতিরিক্ত স্রাব, পুরুষের রোগ - দ্রুত বীর্যপাত ও যৌন দুর্বলতা, ধাতুক্ষয় ও অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ, হস্তমৈথুন অভ্যাস ও এ সংক্রান্ত জটিলতা, পুরুষত্বহীনতা বা ধ্বজভঙ্গ, সিফিলিস এবং গনোরিয়া, প্রসাবে জ্বালাপোড়া, হাইড্রোসিল, অন্ডকোষের সমস্যা, লিভারের রোগ-লিভার ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, ফ্যাটি লিভার, লিভার অ্যাবসেস, জন্ডিস, ভাইরাল ও ক্রনিক হেপাটাইটিস, পরিপাক তন্ত্রের রোগ - গ্যাস্ট্রিক আলসার, আমাশয়, IBS,IBD, কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্রনিক এপেন্ডিসাইটিস, এনাল ফিসার, পাইলস, ফিস্টুলা, কিডনির রোগ সহ যাবতীয় ক্রনিক রজার রোগের কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিতে আজই যোগযোগ করুন।

ডাঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন। মডেল হোমিও ফার্মেসি। যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।
ফোন : ০১৯২৪-০৪১৮৯৬, ০১৭৮৯-১৪৪৩৭১ (সরাসরি ডাক্তার)

সাম্প্রতিক প্রকাশিত

Saturday, January 12, 2019

পুরুষের লিঙ্গ প্রদাহ (Inflammation of the Penis) !! কারণ,লক্ষণ ও প্রতিকার

বর্তমান যুগে অ‌নেক পুরুষের মধ্যেই একটা সমস্যা বেশ প্রকট হয়ে উঠছে, তা হ‌লো লি’ঙ্গ প্রদাহ বা ব্যালানাই‌টিস, বাংলায় যাকে মনোষ বলা হয়ে থাকে। ব্যালানাইটিস শব্দটি গ্রিক ব্যালানস থেকে এসেছে। ব্যালানস শব্দের অর্থ লিঙ্গ মুন্ডু বা লিঙ্গের মাথা। লি’ঙ্গাগ্রের চামড়া আক্রান্ত হলে তাকে বলে ব্যালানোপসথাইটিস। লিঙ্গমুন্ডুর চারপাশে এক ধরনের ময়লা জমা ও নিঃসরণের কারণে জায়গাটা বাতাসের সংস্পর্শ কম পায় এবং সেখানে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হয়; এ কারণে লি’ঙ্গমুন্ডুতে প্রদাহ হয় ও লি'ঙ্গমুন্ডু ফুলে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যাদের খতনা করা হয়নি, তারাই এ সমস্যায় বেশি ভোগেন।

পুরুষের লিঙ্গ প্রদাহ রোগের কারণ

সাবান, শাওয়ার জেল বা কনডমের উপরিভাগের আঠালো পদার্থ পুরুষাঙ্গের মুখে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে যা থেকে ব্যালানাইটিস হয়ে থাকে। নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ যেমন- পেইনকিলার, ঘুমের ঔষধ, ল্যাক্সেটিভ (কোষ্ঠকাঠিন্যে ব্যবহৃত ঔষধ) ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে এই সমস্যা হয়ে থাকে। এগুলোকে ফিক্সড ড্রাগ ইরাপশনও বলে।

পুরুষের লিঙ্গ প্রদাহ (Inflammation of the Penis) !! কারণ,লক্ষণ ও প্রতিকার
সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকটেরিয়া ও ঈস্ট যেমন- ক্যান্ডিডা অ্যালবিকান্স পুরুষাঙ্গের উপরিভাগেই থাকে। তাপ, চাপ, সাবান দিয়ে ওই স্থান পরিষ্কার করলে বা একেবারেই পরিষ্কার না করলে এসিড লেভেল ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে, যার কারণে এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

পুরুষাঙ্গের অগ্রভাগে কোনভাবে কেটে গেলে বা আঁচড় লাগলে এই রোগ হতে পারে।ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের ইনফেকশনে হওয়ার ঝুঁকি বেশি। ইনফেকশন থেকেই ব্যালানাইটিস হতে পারে।চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, খতনা করা হয়নি এমন ছেলেদের মধ্যে এ রোগের প্রকোশ বেশি। খতনা করা হয়নি এমন যে কোনো বয়সী পুরুষের যে কোনো সময় লিঙ্গমুন্ডুতে প্রদাহ হতে পারে। যেসব পুরুষের লিঙ্গাগ্রের চামড়া টাইট বা আঁটোসাঁটো থাকে অর্থাৎ চামড়া পেছনের দিকে টেনে নামানো কষ্টকর অথবা যেসব পুরুষ লিঙ্গ ঠিক মতো পরিষ্কার করেন না তারা ব্যালানাইটিস বা লিঙ্গমুন্ডুতে প্রদাহ রোগে আক্রান্ত হন। তবে খতনা করানো হয়েছে এমন ছেলেও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের কারণেও লিঙ্গমুন্ডুতে প্রদাহ হয়, বিশেষ করে যদি রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ না থাকে।

লিঙ্গের পরিচ্ছন্নতা: অনেকেই লিঙ্গের পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে উদাসীন থাকেন। বিশেষ করে ছোট ছেলেরা এ ব্যাপারে সচেতন নয়। বহু গবেষণায় দেখা গেছে, লিঙ্গমুন্ডুতে প্রদাহের সাথে লিঙ্গের পরিচ্ছন্নতার সম্পর্ক রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষ সম্পূর্ণ লিঙ্গ ধৌত করেন না এবং যেসব পুরুষ খতনা করাননি তারা সচরাচর ব্যালানাইটিসে আক্রান্ত হন। আবার সাবান দিয়ে লিঙ্গ অতিরিক্ত পরিষ্কার করলেও ব্যালানাইটিস হয়।
লক্ষণ: এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন।

পেনিস বা পুরুষাঙ্গে লালভাব দেখা দেওয়া (Penis redness)পুরুষাঙ্গে ব্যথা হওয়া (Penis pain)ডায়পার র‍্যাশ (Diapper Rash)ত্বকের ফুসকুড়ি (Skin rash)অস্বাভাবিক ত্বক (Abnormal appearing skin)জ্বর (Fever)

মূত্রত্যাগের সময় ব্যথা হওয়া (Painful urination)কাশি (Cough)তলপেটের নিচের দিকে ব্যথা হওয়া (Suprapubic pain)পেনিস বা পুরুষাঙ্গ দিয়ে তরল নির্গত হওয়া (Penile discharge)ত্বকের ক্ষত (Skin lesion)ত্বকে চুলকানি (Itching of skin)

এই সমস্যার স্থায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রয়েছে। তাই অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারে সাথে এই সমস্যা নির্মূলের জন্য আজই যোগাযোগ করুন।
বিস্তারিত

Friday, January 11, 2019

কিডনি নস্ট হবার লক্ষণগুলো কী কী ? নষ্ট কিডনি ঠিক করার কার্যকর উপায় সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

কিডনি নস্ট হবার লক্ষণগুলো কি কি ? কিডনি বিকল বা রেনাল ফেইলুর (Renal failure) ! কারণ, লক্ষণ এবং কার্যকর চিকিৎসা। কিডনির প্রাথমিক রোগে বা অন্য কোনো কারণে কিডনি আক্রান্ত হয়ে ধীরে ধীরে মাসের পর মাস বা বছরের পর বছর ধরে যদি দুটো কিডনিরই কার্যকারিতা নষ্ট হতে থাকে তখন তাকে ক্রনিক বা ধীরগতিতে কিডনি ফেইলুর (Kidney Failure) বলা হয়। আমি আমরা এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো -

একটি কিডনি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকলে এবং অপরটির কার্যকারিতা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেলেও সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব। দুটো কিডনিরই শতকরা ৫০ ভাগ বিনষ্ট হলেও শরীর সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকে, যার ফলে একজন সুস্থ মানুষ (কিডনি ডোনার) তার নিকট আত্মীয় বা অন্য আর একজন কিডনি বিকল রোগীকে (কিডনি গ্রহণকারী) একটি কিডনি দান করেও সুস্থ থাকেন, স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন। তবে হোমিও চিকিৎসা নিয়ে আপনার নষ্ট কিডনিও আবার সুস্থ করতে পারেন।
 রেনাল ফেইলুর (Renal failure) ! কারণ, লক্ষণ এবং কার্যকর চিকিৎসা
কেবল দুটো কিডনির ৫০ ভাগের উপর নষ্ট হলেই কিডনি বিকল হওয়ার প্রবণতা শুরু হয় এবং ৭৫ ভাগ নষ্ট হলেই শরীরের লক্ষণগুলো ধরা যেতে পারে আর ৯৫ ভাগের উপর নষ্ট হলে কৃত্রিম উপায়ে (ডায়ালাইসিস বা কিডনি সংযোজন) ছাড়া রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হয় না, যাকে বলে এন্ড স্টেজ রেলাল ফেইল্যুর (End Stage Renal Failure)। তবে এই অবস্থায় অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ট্রিটমেন্ট চালিয়ে গেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

এবার আসুন কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণগুলি জেনে নেই
  • গ্লোমেরুলো নেফ্রাইটিস বা কিডনির ছাকনি প্রদাহ রোগ ৫০-৫৫%।
  • ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ ১৫-২০%।
  •  উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি রোগ ১০-১৫%।
  • কিডনি বা প্রস্রাবের রাস্তায় পাথর ও অন্য কোনো কারণে বাধাজনিত রোগ ৭-১৯%।
  • কিডনি বা প্রস্রাবের রাস্তায় জীবাণুজনিত রোগ ৫-৭%।
  • বংশানুক্রমিক কিডনি রোগ ৩-৫%।
  • ওষুধজনিত কিডনি রোগ ৩-৫%।
  • অন্যান্য ও অজানা।

এবার আসুন জেনে নেই কিডনি নস্ট হবার উপসর্গ বা লক্ষণ

আমরা জানি যে, দুটো কিডনির শতকরা পঁচাত্তর ভাগ কার্যকারিতা নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত কিডনি বিকলের উপসর্গ দেখা যায় না। রোগী প্রাথমিক পর্যায়ে সামান্য ধরনের কিডনি রোগ থাকার দরুন গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারে না। শতকরা ৭৫ ভাগের উপর কিডনি অকেজো হয়ে গেলে রোগীর ক্ষুধা মন্দা, আহারে অনীহা, বমি বমি ভাগ, বমি হওয়া, শরীর ক্রমান্বয়ে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, শারীরিক দুর্বলতা প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দেয়। এছাড়াও প্রস্রাবের পরিমাণের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, রাতে প্রস্রাব করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। কোনো রকম চর্মরোগের উপসর্গ ছাড়াই শরীর চুলকায়, যখন তখন হেচকি ওঠে এবং অনেক ক্ষেত্রে খিঁচুনি হতে পারে। রোগী শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেলে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট, তীব্র গতিতে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস, ঝিমানো ভাব, এমনকি এক পর্যায়ে রোগী জ্ঞানও হারিয়ে ফেলতে পারে।
রোগীকে পরীক্ষা করে রক্তের স্বল্পতা বোঝা যায়। অধিকাংশ রোগীর উচ্চরক্তচাপ (Hypertention) ধরা পড়ে। এছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর কারণ সাপেক্ষে শরীরে পানি দেখা যেতে পারে। আবার অনেক ক্ষেত্রে চামড়া শুকিয়ে যেতে পারে। কিছু কিছু রোগীর হৃিপণ্ডের আবরণে পানি এবং হার্ট ফেইলুরের চিহ্ন দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে শরীরের এমন কি হাত-পায়ের মাংসপেশী শুকিয়ে যায় যার দরুন রোগী সাধারণত চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলে।

এই সমস্যায় আপনি লোকল কোন হোমিও ডাক্তারের কাছে না গিয়ে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের কাছে যাবেন। কারন ঠিক ঠাক ভাবে হোমিও চিকিৎসা নেয়া হলে আপনি অবশ্যই সুফল পাবেন ইনশাল্লাহ।
বিস্তারিত

Monday, November 19, 2018

গ্যাস্ট্রিক আলসার - কারণ, লক্ষণ এবং এর থেকে মুক্তির উপায়

আলসার হয় পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালের স্তরে। আরো হয় অন্ত্রনালীর এক অংশে যাকে বলা হয় 'স্মল ইনটেস্টাইন'। পাকস্থলীতে আলসার হলো পেপটিক আলসারের সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ। পাচক রস থেকে পাকস্থলীকে রক্ষায় পাতলা শ্লেষ্মার যে স্তর থাকে, তা হ্রাস পেলে দেখা দেয় আলসার। এর পরিমাণ কমে গেলে পাচক রস পাকস্থলীর দেয়াল খেয়ে ফেলতে থাকে।
সাদারণত দুই ধরনের আলসার দেখা যায়। পাকস্থলী এবং অয়েসোফাগাস আলসার। দুটোর আবির্ভাব ঘটে সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে। অফেসোফাগাস সচরাচর দেখা যায় না। এটি হয় বেশি বেশি অ্যালোকোহল সেবনে। অন্যদিকে, এলোমেলো জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসে দেখা দেয় পাকস্থলীর আলসার।

আলসারের সঙ্গে বেশ কয়েকটি লক্ষণ স্পষ্টভাবে জড়িত। প্রধান লক্ষণটি হলো বুক ও নাভীমূলের মধ্যে ব্যথা হওয়া। আরেকটি বড় লক্ষণ হলো রক্ত বমি হওয়া। এই ব্যথা কিন্তু অ্যান্টাসিডের মতো ওষুধ খেলে আরো বেড়ে যায়।

অনেক কারণে আলসার দেখা দেয়। ব্যাকটেরিয়া আছে যাকে দেখা যায় পাকস্থলির শ্লেষ্মার স্তরে। এরা স্মল ইনটেস্টাইনেরও থাকে। ব্যথা উপশমে নিয়মিত ওষুধ খেলে বাড়তি ঝুঁকি দেখা যায়। এ সময় ধূমপান, অ্যালোকোহল সেবন এবং মসলাদার খাবার খেলে আরো বেশি সমস্যা দানা বাঁধে। পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে প্রদাহ দেখা দেয়। এই অতি পরিচিত রোগের কারণ ও লক্ষণগুলো জেনে নেওয়া যাক।

গ্যাস্ট্রিক আলসারের সাধারণ কারণ

  • হেলিকোবেকটার পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া আলসারের কারণ হতে পারে। পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। এই সংক্রমণ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়াতে পারে। চুমু, খাবার বা পানি আদান-প্রদানের কারণে এমনটা হয়।
  • নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার জন্যে একই ঘটনা ঘটে। ননস্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামাটরি ওষুধ (এনএসএআইডি) পাকস্থলী এবং স্মল ইনটেস্টাইনে প্রদাহের কারণ হয়। বয়স্কদের মধ্যে পেপটিক আলসার অনেক বেশি দেখা যায় অতিমাত্রায় ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার কারণে।
  • অন্যান্য ওষুধের কারণে আলসার দেখা দেয়। স্টেরয়েড, অ্যান্টিকগুলান্ট, কমমাত্রার অ্যাসপিরিন খেলে আলসার হতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক আলসারের লক্ষণ

আলসার যাদের রয়েছে বা হতে চলেছে তারা চোখ-কান খোলা রাখলে লক্ষণগুলো বুঝতে পারবেন। খেয়াল রাখুন-
  • পেটের ওপর ও মাঝামাঝি অংশে ব্যথা হবে। মনে হবে যেন পুড়ে যাচ্ছে। কেবলমাত্রা এন্টাসিড খেলেই এই ব্যথা থেকে মুক্তি মেলে।
  • খাওয়ার পর আলসারের ব্যথা নির্ভর করে ঠিক কোন স্থানে রোগ হয়েছে তার ওপর। গ্যাস্ট্রিক আলসার হলে খাওয়ার পর পরই পেটে ব্যথা বাড়তে পারে। আর ডুয়োডেনাল আলসার হলে পেটের ব্যথা বাড়ে খাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর।
  • খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পেটে ব্যথা শুরু হয়। এটা আলসারের লক্ষণ।
  • ক্রমাগত ঢেঁকুর ওঠা এবং বমি ভাব আসা।
  • অবসাদ ভাব ঘিরে ধরে। সাধারণত বমির আগে দিয়ে এমনটা মনে হয়।

গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তির উপায় 

এই সমস্যা স্থায়ী ভাবে নির্মূল করার উন্নত মানের ঔষধ রয়েছে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে। আপনি যদি এই বহুদিন যাবৎ গ্যাস্ট্রিক আলসার সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে লোকাল কোন হোমিও ডাক্তারের কাছে না গিয়ে অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ ক্রমে চিকিৎসা নিন। ইনশাল্লাহ এই সমস্যা থেকে আপনি মুক্তি লাভ করবেন।
বিস্তারিত

পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার কারণ, লক্ষণ এবং এর থেকে মুক্তির উপায়

কোষ্ঠ অর্থ হচ্ছে মলাশয় আর কোষ্ঠকাঠিন্য অর্থ হচ্ছে মলাশয়ের মল ঠিকমতো পরিষ্কার না হওয়া বা মলে কাঠিন্যহেতু মলত্যাগে কষ্টবোধ হওয়া। যথেষ্ট পরিমাণ আঁশজাতীয় বা সেলুলোজ জাতীয় খাবার খাওয়ার পরও যদি সপ্তাহে তিন বারের কম স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত মলত্যাগ হয়, তবে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলে।
কোষ্ঠকাঠিন্য হলে ভালোভাবে জীবনযাপন করাটাও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। শৌচাগারে লম্বা সময় কাটিয়েও অনেক ক্ষেত্রে মল পরিষ্কার হয় না। অনেকে তো কোষ্ঠকাঠিন্যের ভয়ে নানা ধরনের খাবার খাওয়াও ছেড়ে দেন। হয় তো আপনিও এই সমস্যায় ভুগছেন।

কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ

  • বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এর কারণ অজানা
  • সুষম খাবার, আঁশজাতীয় খাবার কম খাওয়া
  • পানি কম পান করা
  • শর্করা বা আমিষ যুক্ত খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া
  • ফাস্টফুড, মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া
  • সময়মত খাবার না খাওয়া
  • কায়িক পরিশ্রম কম করা
  • দুশ্চিন্তা করা
  • বিভিন্ন রোগ, যেমনঃ ডায়াবেটিস, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা টিউমার, থাইরয়েডের সমস্যা, অন্ত্রনালীতে ক্যান্সার, কাঁপুনিজনিত রোগ, স্নায়ু রজ্জুতে আঘাত, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ ইত্যাদি হওয়া
  • দীর্ঘদিন বিছানায় শুয়ে থাকা
  • বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, যেমনঃ ডায়রিয়া বন্ধের ওষুধ, পেট ব্যথার ওষুধ, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ, পেপ্টিক আলসার এর ওষুধ, খিঁচুনির ওষুধ, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম সমৃদ্ধ ওষুধ সেবন করা
পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার কারণ, লক্ষণ এবং এর থেকে মুক্তির উপায়

কোষ্ঠকাঠিন্যের লক্ষণ/উপসর্গ কি কি?

  • স্বাভাবিক এর চেয়ে কম সংখ্যকবার মলত্যাগ করা
  • ছোট, শুষ্ক, শক্ত পায়খানা হওয়া
  • মল ত্যাগে অত্যন্ত কষ্ট হওয়া
  • পায়খানা করতে অধিক সময় লাগা
  • পায়খানা করতে অধিক চাপের দরকার হওয়া
  • অধিক সময় ধরে পায়খানা করার পরও পূর্ণতার অনুভূতি না আসা
  • পেট ফুলে থাকা
  • আঙুল, সাপোজিটরি কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমের সাহায্যে পায়খানা করা
  • মলদ্বারের আশপাশে ও তলপেটে ব্যথার অনুভব হওয়া
  • মলদ্বারে চাপের অনুভূতি হওয়া।

কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসা করা না হলে কি কি অসুবিধা হতে পারে?

  • অর্শ বা পাইলস হওয়া
  • এনাল ফিশার বা মলদ্বারে আলসার হওয়া
  • রেকটাল প্রোলেপস বা মলদ্বার বাইরে বের হয়ে আসা
  • পায়খানা ধরে রাখতে না পারা
  • খাদ্যনালীতে প্যাঁচ লাগা
  • প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া
  • মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়া
  • খাদ্যনালীতে আলসার বা ঘা, এমনকি পারফোরেশন বা ছিদ্র হওয়া ।
এই সমস্যা স্থায়ী ভাবে নির্মূল করার উন্নত মানের ঔষধ রয়েছে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে। আপনি যদি এই বহুদিন যাবৎ কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে লোকাল কোন হোমিও ডাক্তারের কাছে না গিয়ে অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ ক্রমে চিকিৎসা নিন। ইনশাল্লাহ এই সমস্যা থেকে আপনি মুক্তি লাভ করবেন।
বিস্তারিত

Sunday, November 18, 2018

ক্ষতিকর যৌন উত্তেজক ঔষধ পরিহার করুন, আজীবন সুস্থ থাকুন।

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই উত্তেজক এলোপ্যাথিক, হারবাল, কবিরাজি ঔষধ খেয়ে খেয়ে ভয়াবহ যৌন সমস্যা ডেকে আনছে এক শ্রেণীর পুরুষ। আজ আমরা জানবো যৌন দুর্বলতা থেকে উত্তরণের উপায় এবং এর চিকিৎসা সম্পর্কে।
আজ থেকে ৫/৭ বছর আগেও দেখা যেত রাস্তাথাকে নানা প্রকার যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করা হত যেগুলিতে নানা প্রকার ক্ষতিকর উপাদান মিশ্রিত থাকার কারণে সাময়িক সময়ের জন্য সেগুলি One Time রেজাল্ট দিলেও যারা বার বার সেগুলি খেয়ে যেত তারা একসময় যৌন ক্ষমতায় অক্ষম পর্যন্ত হয়ে যেত।

আজকাল দেখা যাচ্ছে এক শ্রেণীর মানুষ হারবাল, প্রাকৃতিক, নেচারাল নাম দিয়ে নানা প্রকার যৌন উত্তেজক ঔষধ প্রদর্শন করে বেড়াচ্ছে ইন্টারনেট এবং ইউটিউবে। আর সেগুলি দেখে দেখে লোভে পড়ে এক কোমলমতি তরুণরা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই এই গুলি গোপনে দোকান থেকে কিনে কিনে খেয়ে চলেছে। যার কারণে এক সময় দেখা যাচ্ছে তারা লিভার, কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কেউ কেউ যৌন ক্ষমতাহীনও হয়ে যাচ্ছে।
ক্ষতিকর যৌন উত্তেজক ঔষধ পরিহার করুন, আজীবন সুস্থ থাকুন।
আমাদের কাছে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক যুবকদের কেইস হিস্টোরি নিয়ে দেখা গেলো - তাদের অধিকাংশই ইন্টারনেট থেকে এই সব যৌন উত্তেজক ঔষধের নাম জেনে ডাক্তারের কোন প্রকার পরামর্শ ছাড়াই এই গুলি তারা মাসের পর মাস খেয়ে যেত এবং অনৈতিক কাজে লিপ্ত হতো। একসময় তারা দেখল এই ঔষধগুলি ছাড়া তারা যৌন মিলন করতে পারছে না। কেউ কেউ দেখা গেছে যৌন ক্ষমতায় অক্ষম হয়ে পড়েছেন।

যখন ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি হয় সেটাকে চিকিৎসা দিয়ে ঠিক করা অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই আপনাদের বলবো লোভে পড়ে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কখনও কোনো হারবাল কবিরাজি যৌন উত্তেজক ঔষধ খাবেন না। তাহলে পরিণামে আপনাকেই কষ্ট করতে হবে। তবে আপনার যেকোন প্রকার যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারণ হোমিও চিকিৎসা স্থায়ী এবং হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন।
বিস্তারিত

গনোরিয়া কি ? Gonorrhea রোগের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার (স্থায়ী হোমিও চিকিৎসা)

গোপনীয় এক জটিল রোগ গনোরিয়া। আজকে আমরা জানবো গনোরিয়া রোগের কারণ, লক্ষণ, এবং স্থায়ী চিকিৎসা সম্পর্কে। গনোরিয়া ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রামিত একটি যৌন রোগ৷ সাধারণত মূত্রনালি, পায়ুপথ, মুখগহ্বর এবং চোখ গনোরিয়ার জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে৷ এই রোগ সাধারণত যৌনমিলন থেকে ছড়ায় এবং পুরুষ ও মহিলা উভয়েই আক্রান্ত হতে পারে৷ এক বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এই রোগ হয়৷
পুরুষ ও মহিলাদের যেকারো এই রোগ হতে পারে। তাই আসুন জেনে নেই  গনোরিয়া রোগের লক্ষণ গুলি কি কি ?
পুরুষের ক্ষেত্রে যে লক্ষণগুলি প্রকাশ পায় সেগুলি হল -
  • মূত্রনালিতে সংক্রমণ
  • মূত্রনালি হতে পুঁজের মতো বের হয়।
  • প্রস্রাব করতে কষ্ট হয়, জ্বালাপোড়া করে এবং প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে৷
  • হাঁটু বা অন্যান্য গিঁটে ব্যথা করে, ফুলে ওঠে
  • প্রস্রাব করতে কষ্ট হয় এবং এমনকি জটিল অবস্থায় প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে৷
  • পুরুষত্বহীন হয়ে যেতে পারে৷
মহিলাদের ক্ষেত্রে যে লক্ষণগুলি প্রকাশ পায় সেগুলি হল -
  • অনেক সময় মহিলাদের কোনও লক্ষণ নাও দেখা যেতে পারে৷
  • যোনিপথ আক্রান্ত হতে পারে৷
  • যোনিপথে এবং মূত্রনালিতে জ্বালা-পোড়া করে৷
  • পুঁজ সদৃশ হলুদ স্রাব বের হয়৷
  • তলপেটে ব্যথা হতে পারে৷
  • ঋতুস্রাব সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিতে পারে৷
  • বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে৷
গনোরিয়া কি ? Gonorrhea রোগের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার (স্থায়ী হোমিও চিকিৎসা)
এবার আসুন জেনে নেই এই রোগ কিভাবে প্রতিরোধ করবেন -
  • যৌনমিলনে কনডম ব্যবহার করতে হবে৷
  • মহিলাদের মাসিকের সময় পরিষ্কার কাপড় এবং প্যাড ব্যবহার করতে হবে৷
  • স্বামী বা স্ত্রী একজন অসুস্থ হলে দুজনেরই চিকিৎসা করাতে হবে৷
  • স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনও নারী বা পুরুষের সঙ্গে দৈহিক মিলন অনুচিত৷
  • যৌনমিলনে স্বামী-স্ত্রীর বিশ্বস্ততা জরুরি৷
লক্ষণ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে লোকাল কোন ডাক্তারের কাছে না গিয়ে অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে৷ ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে৷ নাহলে পরবর্তী সময়ে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে৷ তবে হোমিও চিকিৎসা নিলে এই রোগ থেকে আপনি নিশ্চিত মুক্তি লাভ করবেন ইনশাল্লাহ। 
বিস্তারিত

Friday, November 16, 2018

নাকের মাংস বৃদ্ধি (Nasal Polyps) ! কারণ, লক্ষণ ও স্থায়ী হোমিও চিকিৎসা সমাধান

মানুষের শরীরে প্রত্যেকটা অঙ্গ অত্যন্ত মূল্যবান। তার মধ্যে নাক অনেক মূল্যবান একটি অঙ্গ। নাক দিয়ে মানুষ তার অতি প্রয়োজনীয় শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ এবং ত্যাগ করে। এর সঙ্গে সঙ্গে গন্ধও বুঝতে পারে। নাকের দুই পাশে দুটি ছিদ্রযুক্ত কক্ষ আছে। এই কক্ষ দুটির মাঝখানে যে একটি দেয়াল আছে একে সেপ্টাম বলা হয়।
এই সেপ্টামে ফোমা হলে নাকের মাংশ বাড়তে পারে। এছাড়া আরও যেসব কারণে এই রোগ হতে পারে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
  • নাকের বুটি বা মাংস বেড়ে গেলে। 
  • বাইরের শক্ত কিছু আটকে যাওয়া বা ঢোকা থেকে। 
  • অনেক সর্দিজনিত কারণে হতে পারে। 
  • সাইনুসাইটিসের জন্য হতে পারে। 
  • টিউমারজনিত কারণে (প্যাপিলোমা বা ফাইব্রোমা বা ক্যান্সার)। 
  • যে কোনো আঘাতের কারণে হতে পারে।
নাকের মাংস বৃদ্ধি (Nasal Polyps) ! কারণ, লক্ষণ ও স্থায়ী হোমিও চিকিৎসা সমাধান

রোগের লক্ষণগুলো

এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগীর মধ্যে সচরাচর যে সমস্যাগুলো বা লক্ষণগুলো দেখা যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
  • নাকের ভিতর শিরশির করতে থাকে।
  • নাক সব সময় ভারি বোধ হয়।
  • নাক সব সময় বন্ধ থাকে, বিশেষ করে রাতে যখন ঘুমাতে যায় তখন যে পাশে কাত হয় তার বিপরীত পাশে। 
  • ফোলা ফোলা মনে হয়।
  • নাকের উপরি ভাগে লাল রং হয়ে থাকে।
  • নাক দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া যায় না। বেশির ভাগ সময় মুখ হাঁ করে শ্বাস টানতে হয়।

স্থায়ী চিকিৎসা

সঠিকভাবে কারণ বুঝে এই রোগের চিকিৎসা দিতে হবে। আর এই সমস্যার স্থায়ী চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। লোকাল কোন ডাক্তারের কাছে না গিয়ে একজন অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ট্রিটমেন্ট নিলে অবশ্যই এই রোগ থেকে মুক্তি লাভ করবেন। 
বিস্তারিত