Tuesday, January 23, 2018

নীরব ঘাতক হাড়ের ক্যান্সারের মারাত্মক লক্ষণগুলো সবারই জেনে রাখা দরকার

আজকাল বোন ক্যান্সার বা হাড়ের রোগের কথা বেশ শুনতে পাওয়া যায়। আর এই ক্যান্সারে মৃত্যুর হারটাও অনেক চড়া। তবে ভয়ের বিষয়টা হচ্ছে এই ক্যান্সারের সঠিক কারণ এখন পর্যন্ত নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।

তাই সত্যি বলতে কি, নিশ্চিতভাবে কারো ক্ষেত্রেই বলা সম্ভব না যে তার এই হাড়ের ক্যান্সার হবে কি হবে না। তাহলে উপায়? উপায় হচ্ছে কারণ ও লক্ষণ গুলো সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জেনে রাখা ও সতর্ক হওয়া।

ম্যালিগন্যান্ট বোন টিউমার থেকেই মূলত হাড়ের ক্যানসার হয়। হাড়ের কোষে টিউমার, অস্টিওজেনেটিক দেহকলার মারাত্মক টিউমার, কন্ড্রোমা সারকোমাটোসাম ইত্যাদির কারণেও এটি হয়ে থাকে। তবে হাড় ক্যানসারের লক্ষণ ক্ষেত্রে অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

বোন ক্যানসারের কারণ

হাড়ের ক্যানসারের কারণ এখনও সঠিক ভাবে জানা যায়নি। হাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি ও সংক্রমণের ফলেই ক্যানসার হতে পারে বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা।

এছাড়াও হাড়ের অতিরিক্ত বৃদ্ধি, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ, জেনেটিক ফ্যাক্টর, ভাইরাস সংক্রমণ, রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদির কারণেও হাড়ের ক্যানসার হতে পারে।

এবার জানুন নীরব ঘাতক হাড়ের ক্যান্সারের মারাত্মক লক্ষণগুলো সম্পর্কে….

১) হাড়ে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া:- হাড়ে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়ার অর্থ যে আপনি কোনো ভাবে ব্যথা পেয়েছেন তা নাও হতে পারে। হাড়ের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ হচ্ছে হাড়ে ব্যথা হওয়া। এই ব্যথা একটানা হবে না। হুট করেই ব্যথা শুরু হওয়া এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া, রাতের বেলা ব্যথা শুরু হওয়া, ভারী কোনো জিনিস তোলার পর ব্যথা হওয়া বা হাঁটার ফলে হাড়ে ব্যথা হওয়া হতে পারে হাড়ের ক্যান্সারের লক্ষণ। সুতরাং হাড়ের ব্যথা অবহেলা করবেন না।

২) ব্যথার স্থান ফুলে যাওয়া:- কোনো কারণে ব্যথা পাওয়া ছাড়া হাড় ব্যথা হওয়ার পাশাপাশি যদি ব্যথা হওয়ার স্থান অনেক ফুলে যায়, বিশেষ করে জয়েন্টের স্থান ফুলে যায় তাহলে এটি সাধারণ ব্যাপার নাও হতে পারে। এছাড়াও ফুলে যাওয়া স্থানে গোটার মতো অনুভব হওয়া মাত্র সতর্ক হোন। ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।

৩) হাড় ভাঙা বা হাড়ে ফ্র্যাকচার হওয়া:- হাড় অনেক মজবুত, ষ্টীলের চাইতেও মজবুত হয়ে থাকে মানুষের হাড় যা খুব সহজে ভাঙে না। কিন্তু হাড়ের ক্যান্সার হওয়ার ফলে হাড়ের ভেতরে ক্ষয় হতে থাকে এবং হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়। যার কারণে সাধারণ কাজ যেমন উঠাবসার করা, হাঁটু গেঁড়ে বসা বা বিছানায় গড়াগড়ি খাওয়ার সময়েও হাড় ভাঙা বা হাড় ফ্র্যাকচার হওয়ার ঘটনা মোটেই স্বাভাবিক নয়। এটি হাড়ের ক্যান্সারের লক্ষণ।

৪) অন্যান্য লক্ষণ সমূহ:- এই সকল লক্ষণের পাশাপাশি আরও সাধারণ কিছু লক্ষণ নজরে পড়ে থাকে, যেমন-
  • কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমতে থাকা
  • অতিরিক্ত দুর্বলতা অনুভব করা
  • রক্তশূন্যতায় ভোগা
  • ঘন ঘন এবং অতিরিক্ত জ্বর হওয়া ইত্যাদি।
মনে রাখুন,উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলো চোখে পড়লে নিশ্চিত হয়ে যাবেন না যে আপনি হাড়ের ক্যান্সারেই আক্রান্ত। আর্থ্রাইটিস, মাংসপেশি বা লিগামেন্ট ইনজুরিতে যারা ভোগেন তাদের মধ্যেও এইধরনের কিছু লক্ষণ নজরে পড়ে। সুতরাং ঘাবড়ে বা ভয় পেয়ে যাবেন না। লক্ষণ দেখা মাত্র ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।

নীরব ঘাতক হাড়ের ক্যান্সারের মারাত্মক লক্ষণগুলো সবারই জেনে রাখা দরকার ডাক্তার আবুল হাসান 5 of 5
আজকাল বোন ক্যান্সার বা হাড়ের রোগের কথা বেশ শুনতে পাওয়া যায়। আর এই ক্যান্সারে মৃত্যুর হারটাও অনেক চড়া। তবে ভয়ের বিষয়টা হচ্ছে এই ক্যান্সারের ...

ডাঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন (ডিএইচএমএস - বিএইচএমসি, ঢাকা)

অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক (মডেল হোমিও ফার্মেসি। যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।)

যৌনসমস্যা (দ্রুত বীর্যপাত, হস্তমৈথুন অভ্যাস, লিঙ্গ নিস্তেজ, যৌন দুর্বলতা, পুরুষত্বহীনতা, ধ্বজভঙ্গ, হাইড্রোসিল, ভেরিকোসিল, সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি) স্ত্রীরোগ (ডিম্বাশয়ে টিউমার, সিস্ট, ব্রেস্ট টিউমার, জরায়ুতে টিউমার, জরায়ু নিচে নেমে আসা, যোনিতে প্রদাহ, অনিয়মিত মাসিক, বন্ধ্যাত্ব, অতিরিক্ত স্রাব ইত্যাদি), বাত ব্যথা, লিভার, কিডনি, আইবিএস, পুরাতন আমাশয়, গ্যাস্ট্রিক, পাইলস বা অর্শ, গেজ, ভগন্দর ইত্যাদি রোগের অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক।

কথা বলুন (সরাসরি ডাক্তার) : ০১৯২৪-০৪১৮৯৬ এবং ০১৭৮৯-১৪৪৩৭১
আপনার যেকোন স্বাস্থ সমস্যায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিতে যোগাযোগ করুন।