Friday, October 12, 2018

দ্রুত বীর্যপাত লিঙ্গের শিথিলতা ও ধ্বজভঙ্গ রোগের সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি।

আজকাল যৌন সংক্রান্ত সমস্যায় যত্রতত্র অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছে আমাদের তরুণ সমাজ। অনেকে আবার তাৎক্ষণিক ফল লাভের জন্য নানা প্রকার ভেজাল মিশ্রিত হারবাল ঔষধের মাধ্যমে চিকিৎসা নিতে গিয়ে উল্টো নানা প্রকার জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলে আক্রান্ত হচ্ছে নানাবিধ দুরারোগ্য ব্যাধিতে। অথচ যুগ যুগ ধরে এই উপমহাদেশসহ বিশ্বের কোঠি কোঠি পুরুষ যৌন ও প্রজনন সংক্রান্ত সমস্যায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়ে নির্মল আরোগ্য লাভ করছে এবং দীর্ঘায়ূ ও সুস্থ যৌন জীবন উপভোগ করছে।

কিন্তু এই আধুনিক যুগেও দেখা যায় দেশের  শিক্ষিত তরুণরা পর্যন্ত রাস্তাঘাট থেকে অবিশুদ্ধ এবং ভেজাল হারবাল ঔষধ ক্রয় করছে যেগুলি নির্দোষ রোগ আরোগ্যে তেমন কোন ভূমিকা রাখে না।

তরুণরা সধারনত শুক্রতারল্য, শুক্রমেহ এবং অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ সমস্যায় ভুগে থাকে

এই সমস্যাগুলি অত্যন্ত শরীর ক্ষয়কারী ব্যাধি। যারা এই সমস্যায় আক্রান্ত হোন তারা প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যতীত কেবল কিছু নিয়ম কানুন পালন করেই এই রোগের কবল থেকে মুক্তি লাভ করতে পারে না। সাধারণত তরুণ-যুবক এবং বিশেষ করে ছাত্রদের মধ্যেই এই পীড়াগুলির অতিরিক্ত প্রাবল্য দৃষ্ট হয়। এর রয়েছে কিছু বাস্তব সম্মত কারণ।

প্রথম কারণ :- অল্প বয়সে জ্ঞানকেন্দ্র-মস্তিষ্ক স্ফুরণমুখ থাকে, এই জন্য তার একটা তরুণ ভাব থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত অধ্যয়ন ও অনুশীলন জনিত চিন্তা তরঙ্গে সেই তরুন মস্তিষ্ক ধারণশক্তিবিহীন ও দুর্বল হয়ে পড়ে। নিস্তেজ স্নায়ুমণ্ডলীও শুক্র ধারণে অসমর্থ হয়ে পড়ে। তাতেই অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ এবং শুক্রতারল্য রোগের আবির্ভুত হয়।

দ্বিতীয় কারণ :- আহার-বিহার ও স্বাস্থ রক্ষার সাধারণ নিয়ম পালনের ব্যতিক্রম। অক্ষুধায় ও অসময়ে আহার, আহার করিয়াই বিদ্যালয়ে দৌড়ায়া যাওয়া, উপযুক্ত বিশ্রাম ও ব্যায়ামের অভাব এবং হজমশক্তি ও সর্বধাতুর ক্রম পরিণতির ব্যতিক্রমে প্রচুর শুক্র উৎপাদনের অভাব ঘটে। এই অবস্থায় দূর্বল স্নায়ুমন্ডলী অপরিণত তরল শুক্র ধারণ করতে পারে না বলে শুক্রমেহ এবং অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ রোগের সৃষ্টি হয়।

তৃতীয় কারণ :- অতি কদর্য, দুর্বলচিত্ত, কোমলমতি যুবকগণ তরুণ বয়সে নানা প্রকার অস্বাভাবিক (হস্তমৈথন, পুং মৈথন ইত্যাদি) উপায়ে শুক্রপাত এবং অতিরিক্ত শুক্রক্ষয় করে এই রোগের সৃষ্টি করে থাকে। অস্বাভাবিক উপায়ে শুক্রপাতকারীর চঞ্চল চিত্তবৃত্তি এক অস্বাভাবিক রসের জন্য সর্বদা লালায়িত থাকে। সামান্য কারণেই তার কামোদ্রেক হয়ে তরল শুক্র স্থানচ্যুত হয়। ফলে স্বল্প উত্তেজনায় বীর্যপাত, মল ও মূত্রের বেগের সহিত ডিমের সাদা অংশের মতো পিচ্ছিল ও বর্ণহীন শুক্র নির্গত হয়। মূত্রের প্রথম ভাগ শুক্রমিশ্রিত-চূর্ণ বা খুড়িগোলার মতো দেখায়। কখনো কখনো প্রস্রাবের জ্বালা হয়।
এই পীড়ায় বায়ু ও পিত্তের প্রাবল্য হেতু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে। নিদ্রিত অবস্থায় কাম ভাবোদ্দীপক স্বপ্নদর্শনে শুক্রক্ষরণ হতে থাকে। প্রথমে স্বপ্নদোষ হলে কাপড়ে যে দাগ লাগে তা চটচটে হয় কিন্তু ব্যাধি যত পুরাতন হয় দাগ ততই পাতলা হতে থাকে। এই উৎকট ব্যাধি যতই দীর্ঘ সময়ব্যাপী হয়, ততই ধারণাশক্তির হ্রাস, দেহ শুস্ক ও জীর্ণশীর্ণ, চোখের নিম্নভাগ কালিমালিপ্ত, মনের দুর্বলতা ও চাঞ্চল্য, সর্বদাই গুরুজন হতে লজ্জা ও ভয়, পড়াশোনায় মন স্থির না হওয়া, স্মরণশক্তি হ্রাস ইত্যাদি লক্ষণগুলি প্রবলাকারে প্রকাশিত হতে থাকে। পীড়ার চূড়ান্ত অবস্থায় আমাদের দেশের তরুণ যুবকদের মধ্যে আরো কিছু লক্ষণ দেখা যায় -
  • প্রস্রাবের সাথে ধাতু ক্ষয় 
  • অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ
  • প্রস্রাবের আগে বা পরে বীর্য বের হওয়া
  • সময়ে সময়ে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া
  • পায়খানার সময় সামান্য কুন্থনে বীর্য বের হওয়া 
  • শারীরিক, মানুষিক এবং প্রকট স্নায়ুবিক দুর্বলতা
  • রতিশক্তির দুর্বলতা এবং দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা
  • পুরুষাঙ্গ দুর্বল বা নিস্তেজ ফলে বিবাহ করতে ভয় ইত্যাদি 
  • সর্বোপরি যৌনক্ষমতাহীন বা ধ্বজভঙ্গ

আদর্শ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ যত জটিলই হোক না কেন - এই সমস্যায় আক্রান্ত যে কেউ যদি ধৈর্য ধরে প্রপার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করে তাহলে যাবতীয় সমস্যাবলি দূর হয়ে রোগী পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবে এবং দেহে পুনরায় শুক্র, বল, বীর্য লাভ করবে। কারণ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শত শত বছর যাবৎ সারা বিশ্বে কোঠি কোঠি যুবকদের ক্ষেত্রে পরীক্ষিত এবং প্রমাণিত। আদর্শ হোমিওপ্যাথিক  বৈশিষ্ট্য হলো -
  • হোমিওপ্যাথি হলো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত বিশ্বের এক নম্বর প্রাকৃতিক চিকিৎসা 
  • প্রপার হোমিও চিকিৎসায় তরুণদের অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ নিবারিত হয়
  • প্রস্রাবের আগে পরে বা সামান্য কুন্থনে বীর্য বের হওয়া দূর করে
  • যাবতীয় ক্ষয় নিবারণ করে স্নায়ুমণ্ডলীতে নবশক্তির সৃষ্টি করে
  • কয়েক সেকেন্ডে বীর্যপাত হওয়াকে স্থায়ীত্ব দান করে সুদীর্ঘ করে তুলে
  • শুক্রপীড়ার যাবতীয় উপসর্গ দূর করে স্বাভাবিক স্বাস্থ পুনুরুদ্ধার করে
  • পুরুষাঙ্গের শৈথিল্য এবং অসাড়তা দূরীভূত হয়
  • ইহা শুক্র ও রতিশক্তি বর্ধক, বীর্যস্তম্ভক এবং কান্তিবর্ধক অনুপম চিকিৎসা

দ্রুত বীর্যপাত লিঙ্গের শিথিলতা ও ধ্বজভঙ্গ রোগের সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি। ডাক্তার আবুল হাসান 5 of 5
আজকাল যৌন সংক্রান্ত সমস্যায় যত্রতত্র অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছে আমাদের তরুণ সমাজ। অনেকে আবার তাৎক্ষণিক ফল লাভের জন্য নানা প্রকার ভেজাল মিশ্রিত ...

ডাঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন (ডিএইচএমএস - বিএইচএমসি, ঢাকা)

অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক (মডেল হোমিও ফার্মেসি। যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।)

যৌনসমস্যা (দ্রুত বীর্যপাত, হস্তমৈথুন অভ্যাস, লিঙ্গ নিস্তেজ, যৌন দুর্বলতা, পুরুষত্বহীনতা, ধ্বজভঙ্গ, হাইড্রোসিল, ভেরিকোসিল, সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি) স্ত্রীরোগ (ডিম্বাশয়ে টিউমার, সিস্ট, ব্রেস্ট টিউমার, জরায়ুতে টিউমার, জরায়ু নিচে নেমে আসা, যোনিতে প্রদাহ, অনিয়মিত মাসিক, বন্ধ্যাত্ব, অতিরিক্ত স্রাব ইত্যাদি), বাত ব্যথা, লিভার, কিডনি, আইবিএস, পুরাতন আমাশয়, গ্যাস্ট্রিক, পাইলস বা অর্শ, গেজ, ভগন্দর ইত্যাদি রোগের অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক।

কথা বলুন (সরাসরি ডাক্তার) : ০১৯২৪-০৪১৮৯৬ এবং ০১৭৮৯-১৪৪৩৭১
আপনার যেকোন স্বাস্থ সমস্যায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিতে যোগাযোগ করুন।