Showing posts with label কিডনি রোগ. Show all posts
Showing posts with label কিডনি রোগ. Show all posts

Friday, January 11, 2019

কিডনি নস্ট হবার লক্ষণগুলো কী কী ? নষ্ট কিডনি ঠিক করার কার্যকর উপায় সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

কিডনি নস্ট হবার লক্ষণগুলো কি কি ? কিডনি বিকল বা রেনাল ফেইলুর (Renal failure) ! কারণ, লক্ষণ এবং কার্যকর চিকিৎসা। কিডনির প্রাথমিক রোগে বা অন্য কোনো কারণে কিডনি আক্রান্ত হয়ে ধীরে ধীরে মাসের পর মাস বা বছরের পর বছর ধরে যদি দুটো কিডনিরই কার্যকারিতা নষ্ট হতে থাকে তখন তাকে ক্রনিক বা ধীরগতিতে কিডনি ফেইলুর (Kidney Failure) বলা হয়। আমি আমরা এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো -

একটি কিডনি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকলে এবং অপরটির কার্যকারিতা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেলেও সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব। দুটো কিডনিরই শতকরা ৫০ ভাগ বিনষ্ট হলেও শরীর সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকে, যার ফলে একজন সুস্থ মানুষ (কিডনি ডোনার) তার নিকট আত্মীয় বা অন্য আর একজন কিডনি বিকল রোগীকে (কিডনি গ্রহণকারী) একটি কিডনি দান করেও সুস্থ থাকেন, স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন। তবে হোমিও চিকিৎসা নিয়ে আপনার নষ্ট কিডনিও আবার সুস্থ করতে পারেন।
 রেনাল ফেইলুর (Renal failure) ! কারণ, লক্ষণ এবং কার্যকর চিকিৎসা
কেবল দুটো কিডনির ৫০ ভাগের উপর নষ্ট হলেই কিডনি বিকল হওয়ার প্রবণতা শুরু হয় এবং ৭৫ ভাগ নষ্ট হলেই শরীরের লক্ষণগুলো ধরা যেতে পারে আর ৯৫ ভাগের উপর নষ্ট হলে কৃত্রিম উপায়ে (ডায়ালাইসিস বা কিডনি সংযোজন) ছাড়া রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হয় না, যাকে বলে এন্ড স্টেজ রেলাল ফেইল্যুর (End Stage Renal Failure)। তবে এই অবস্থায় অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ট্রিটমেন্ট চালিয়ে গেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

এবার আসুন কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণগুলি জেনে নেই
  • গ্লোমেরুলো নেফ্রাইটিস বা কিডনির ছাকনি প্রদাহ রোগ ৫০-৫৫%।
  • ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ ১৫-২০%।
  •  উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি রোগ ১০-১৫%।
  • কিডনি বা প্রস্রাবের রাস্তায় পাথর ও অন্য কোনো কারণে বাধাজনিত রোগ ৭-১৯%।
  • কিডনি বা প্রস্রাবের রাস্তায় জীবাণুজনিত রোগ ৫-৭%।
  • বংশানুক্রমিক কিডনি রোগ ৩-৫%।
  • ওষুধজনিত কিডনি রোগ ৩-৫%।
  • অন্যান্য ও অজানা।

এবার আসুন জেনে নেই কিডনি নস্ট হবার উপসর্গ বা লক্ষণ

আমরা জানি যে, দুটো কিডনির শতকরা পঁচাত্তর ভাগ কার্যকারিতা নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত কিডনি বিকলের উপসর্গ দেখা যায় না। রোগী প্রাথমিক পর্যায়ে সামান্য ধরনের কিডনি রোগ থাকার দরুন গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারে না। শতকরা ৭৫ ভাগের উপর কিডনি অকেজো হয়ে গেলে রোগীর ক্ষুধা মন্দা, আহারে অনীহা, বমি বমি ভাগ, বমি হওয়া, শরীর ক্রমান্বয়ে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, শারীরিক দুর্বলতা প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দেয়। এছাড়াও প্রস্রাবের পরিমাণের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, রাতে প্রস্রাব করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। কোনো রকম চর্মরোগের উপসর্গ ছাড়াই শরীর চুলকায়, যখন তখন হেচকি ওঠে এবং অনেক ক্ষেত্রে খিঁচুনি হতে পারে। রোগী শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেলে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট, তীব্র গতিতে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস, ঝিমানো ভাব, এমনকি এক পর্যায়ে রোগী জ্ঞানও হারিয়ে ফেলতে পারে।
রোগীকে পরীক্ষা করে রক্তের স্বল্পতা বোঝা যায়। অধিকাংশ রোগীর উচ্চরক্তচাপ (Hypertention) ধরা পড়ে। এছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর কারণ সাপেক্ষে শরীরে পানি দেখা যেতে পারে। আবার অনেক ক্ষেত্রে চামড়া শুকিয়ে যেতে পারে। কিছু কিছু রোগীর হৃিপণ্ডের আবরণে পানি এবং হার্ট ফেইলুরের চিহ্ন দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে শরীরের এমন কি হাত-পায়ের মাংসপেশী শুকিয়ে যায় যার দরুন রোগী সাধারণত চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলে।

এই সমস্যায় আপনি লোকল কোন হোমিও ডাক্তারের কাছে না গিয়ে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের কাছে যাবেন। কারন ঠিক ঠাক ভাবে হোমিও চিকিৎসা নেয়া হলে আপনি অবশ্যই সুফল পাবেন ইনশাল্লাহ।
বিস্তারিত