Showing posts with label পুরুষের স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label পুরুষের স্বাস্থ্য. Show all posts

Wednesday, June 5, 2019

অন্ডকোষের ভেরিকোসিল (Varicocele) স্থায়ী চিকিৎসা সমাধান হোমিওপ্যাথি

ভেরিকোসিল (Varicocele) স্থায়ী সমাধান হোমিওপ্যাথি। পুরুষদের অন্ডকোষের সমস্যা ভেরিকোসিল (Varicocele) যার কোনো এলোপ্যাথিক ঔষধ নেই। তাই এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা এটিকে সার্জারি করে ঠিক করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু এর ফলে অনেক দেখা যায় সমস্যাটি বহু ক্ষেত্রেই ঠিক না হয়ে আরো জটিল আকার ধারণ করে। তাই ভেরিকোসিল অপারেশন করা থেকে বিরত থাকুন।

আপনার জানা উচিত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হলো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা যদিও সব ডাক্তার এই রোগের ভালো চিকিৎসা নিতে পারেন না। পুরুষদের অন্ডকোষের সমস্যা ভেরিকোসিল (Varicocele) সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখুন.....
ভেরিকোসিল রোগীদের ৯৫ ভাগ বাম পাশ্বে আক্রন্ত হয় আর ৫ ভাগ ডান পাশ্বে আক্রান্ত হয়।অনেকেই দেখা যায় ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন পেটেন্ট ঔষধের নাম জেনে সেগুলি খেয়ে ভেরিকোসিল নির্মূলের চেষ্টা চালায়। আপনার জানা উচিত এই সকল পেটেন্ট ওষুধ ভেরিকোসিল (Varicocele) নির্মূলের ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকাই রাখে না। যারা বছর ধরে এই সকল ঔষধ খেয়েছেন তারা ইতিমধ্যেই টের পেয়েছেন।

আবার এই সমস্যাটি হলে অনেকেই অবহেলা করে চিকিৎসা নেন না যার কারনে ধীরে ধীরে এটি এক সময় জটিল আকার ধারণ করে এবং পুরুষদের সন্তান জন্মদানে অক্ষম করে তুলে। তাই সময় মতো অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে উন্নত চিকিৎসা নিন।
বিস্তারিত

Monday, June 3, 2019

হস্তমৈথুনের মারাত্মক সব ক্ষতিকর দিক Masturbation Side Effects

লাখ লাখ যুবকের উপর চালিত পর্যবেক্ষণ থেকে দেখা গেছে যে, হস্তমৈথুন এমন এক সমস্যা যাতে একবার কেউ আসক্ত হয়ে পড়লে প্রপার ট্রিটমেন্ট ছাড়া এ থেকে রেহাই পাওয়ার অন্য কোনো কার্যকর উপায় থাকে না বললেই চলে। আপনি অনলাইন সার্চ করলে হস্তমৈথুন অভ্যাস পরিত্যাগের বিষয়ে ভুরি ভুরি উপদেশ বাণী পেয়ে যাবেন। যার সবগুলিই অকার্যকর। তারপরও তাদের উপদেশ বাণীর যেন কোনো শেষ নেই।

কিন্তু তাদের অনেকেই বাস্তবতাটা বুঝতে পেরে কোথাও এর জন্য চিকিত্সা নেয়ার কথাটা বলে না।
কেন জানেন ??
ভালো করে শুনে নিন ** তাদের কাছে এ সমস্যা সমাধানের জন্য কোনো চিকিত্সা নেই **

তাই উপদেশ বাণী শোনানো ছাড়া তাদের আর কি-ই বা করার আছে। কিন্তু ঐসব চিকিত্সকদের নিকট চিকিত্সা নিতে গেলে ঐ অবস্থায় যখন একে একে সব গুলো উপদেশ বাণী ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় তখন তাদের সর্বশেষ চিকিত্সা হলো - * বিয়ে করে ফেলেন *। বুঝেন অবস্থা !!!! আর এই সময়টাতে চিকিত্সার নাম করে আপনার কাছ থেকে যা নেয়ার সেটা কিন্তু তারা ঠিকই নিয়ে নিল। অথচ তারা নিজেরাই জানত তাদের কাছে এর কোনো কার্যকর ট্রিটমেন্ট নেই। শুধু তাই নয়, চিকিত্সার ব্যর্থতা ঢাকতে  অবশেষে তারা এও বলেন যে - *হস্তমৈথুন কোনো ক্ষতিকর বিষয় নয় !!!!!!*

একটা বিষয় জেনে রাখা ভালো 
অনেকেই শীতপ্রধান দেশের বিশেষজ্ঞদের গবেষণালব্ধ ফলাফল আমাদের উপমহাদেশের অর্থাৎ গ্রীষ্মপ্রধান দেশের বেলায় চালাতে চান। এক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদের বাস্তবতা উপলগ্ধি করতে হবে। আমাদের দেশের ছেলেদের ১০-১২ বছরের মধ্যেই যৌন পরিপক্কতা চলে আসার কারণে তারা অনেকেই তখন থেকেই হস্তমৈথুন করা শুরু করে এবং বিয়ের সময় অর্থাৎ বয়স ২০-৩০ বছর হওয়ার পর দেখা যায় তারা নানা প্রকার যৌন সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলেছেন। কিন্তু শীতপ্রধান দেশগুলির বিষয়টা আমাদের থেকে সম্পূর্ণ উল্টো। ঐসব দেশে ছেলেদের যৌন পরিপক্কতা আসে অনেক দেরিতে, অনেকের ১৬-১৮ বছর হয়ে যায়। তাছাড়া তারা যে কারো সাথে মেলামেশার সুযোগ পেয়ে থাকার কারণে  হস্তমৈথুন ততটা করে না। তাই তারা এর জন্য ক্ষতির সম্মুখীন হয় না বললেই চলে। তাই আপনাদের অবশ্যই এ বিষয়টা বুঝতে হবে এবং তাদের ক্ষেত্রে যে থিওরি তাদের দেশের বিশেষজ্ঞরা দিয়ে থাকেন তা আমাদের দেশের ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার চেষ্টা করা নিছক বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ তারা যদি আমাদের দেশের ছেলেদের মত হস্তমৈথুনে আসক্ত হয়ে এটা করতে থাকত তাহলে তারাও এর কুফল গুলির সম্মুখীন হত।

যারা হস্তমৈথুন করাকে ক্ষতিকর না বলে ভালো বলে থাকেন তাদের কাছে প্রশ্ন ????
সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম হলো ইসলাম, যাকে বলা হয়ে থাকে *A complete code of life.* এ বিষয়ে হয়ত আপনারা সবাই আমার সাথে একমত হবেন আশা করি যদি আপনি মুসলিম হন। হস্তমৈথুন করাটা যদি মানুষের জন্য উপকারীই হত তাহলে সেই সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলামের অনেক মুফতীগণ রাসূলের হাদিসের আলোকে এটাকে কেন পাপ বলে অবহিত করলো। আশা করি বিষয়টি নিয়ে আর বেশি দূর বলার প্রয়োজন নেই। জেনে রাখুন হস্তমৈথুন অভ্যাসটা এমন কিছু মারাত্মক সমস্যার জন্ম দেয়, যা এক সময় একজন পুরুষের যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলে। এটা যুবকদের শারীরিক এবং মানুষিক উভয় সমস্যারই সৃষ্টি করে থাকে। আমাদের কাছে চিকিত্সা নিতে আসা হাজর হাজার যুবকরা নিজ মুখেই স্বীকার করেছে তাদের জীবনের অতীত কালের এ সকল অনাচারের কথা।

ইসলামের দৃষ্টিতে হস্তমৈথুনের ক্ষতিকারক দিক সমুহ :-
অনেক আলেমরা এটিকে ইসলামের দৃষ্টিতে এটিকে হারাম ঘোষণা করেছেন । শরীয়ত অনুযায়ী যারা হস্তমৈথুনকরে তারা সীমালংগনকারী। তবে এখানে আমি শারীরিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব, যেহেতু আমি একজন ডাক্তার। পুরুষ হস্তমৈথুন করলে প্রধান যে্সব সমস্যায় ভুগতে পারে সেগুলি হলো :-
  • পুরুষ হস্তমৈথুন করতে থাকলে সে ধীরে ধীরে নপুংসক (Impotent) হয়ে যায়। অর্থাৎ যৌন সংগম স্থাপন করতে অক্ষম হয়ে যায় ।
  • আরেকটি সমস্যা হল অকাল বীর্যপাত। ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয় । বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না ।
  • অকাল বীর্যপাত হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায় । তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০ মিলিয়নের কম । যার ফলে সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতার দেখা দেয় । (যে বীর্য বের হয় সে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত । স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতে কোন পুরুষের থেকে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ থেকে কোন সন্তান হয়না। )
  • অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়। Dr.Liu বলেন -
  • "There is a huge change in body chemistry when one masturbates excessively"
  • হস্তমৈথুনের ফলে শরীরের অন্যান্য যেসব ক্ষতি হয় :-
  • Nervous system, heart, digestive system, urinary system
  • এবং আরো অন্যান্য system ক্ষতিগ্রস্ত হয় । পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রোগ - বালাইয়ের যাদুঘর হয়ে যায় ।
  • মাথা ব্যথা হয় ইত্যাদি আরো অনেক সমস্যা হয় হস্তমৈথুনের কারণে।
  • স্মরণ শক্তি কমে যায়  এবং চোখেরও ক্ষতি হয় ।
  • আরেকটি সমস্যা হল সামান্য উত্তেজনায় যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হওয়া যাকে বলা হয়  
  • Leakage of semen ফলে অনেক মুসলিম ভাই নামায পড়তে কষ্ট হয়।
  • মহান আল্লাহ্ তা’ আলার স্মরণ থেকে মুসলিমদের দূরে রাখে হস্তমৈথুন। রসূলুল্লাহ্ ( সঃ ) বলেছেন-
  • "যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী জিনিস (জিহ্বার) এবং দুইপায়ের মধ্যবর্তী জিনিস (যৌনাঙ্গের) নিশ্চয়তা (সঠিক ব্যবহারের) দেবে আমি তার বেহেশতের নিশ্চয়তা দিব । -(বুখারী ও মুসলিম)
তাই কাউকে হস্তমৈথুন করার উপদেশ দিয়ে আপনি নিজে গুনাহ বা পাপের অংশীদার হবেন না। পারলে কেউ এতে আসক্ত হলে যথাযথ হোমিও চিকিত্সার মাধ্যমে তাকে এই পথ থেকে ফিরিয়ে আনুন। কারণ হোমিওপ্যাথিই একমাত্র কার্যকর চিকিত্সা বিজ্ঞান যা কোন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই যুবকদের হস্তমৈথুন অভ্যাস দূরীকরণে সফলতা দেখিয়ে আসছে।
বিস্তারিত

Friday, December 15, 2017

টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধির ঔষধরূপী খাবারগুলি গ্রহণ করুন

টেস্টোস্টেরন পুরুষত্বের জন্য দায়ী প্রধান স্টেরয়েড হরমোন যা এন্ড্রোজেন গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত| মানুষ সহ সকল স্তন্যপায়ী,পাখি সরীসৃপ প্রাণীর শুক্রাশয়ে এটি উৎপন্ন হয়। স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্ষেত্রে পুরুষের শুক্রাশয় এবং নারীর ডিম্বাশয় থেকে উৎপন্ন হয়,যদিও স্বল্প পরিমাণ অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত হয়। এটি প্রধান পুরুষ হরমোন যা শুক্রাশয়ের লিডিগ কোষ (Leydig Cell) থেকে উৎপন্ন হয়। পুরুষের জন্য টেস্টোস্টেরন প্রজনন অঙ্গ যেমন শুক্রাশয় (Testis) বর্ধনের পাশাপাশি গৌণ বৈশিষ্ট্য যেমন মাংসপেশি,শরীরের লোম বৃদ্ধি করে।পুরুষদের মাঝে টেস্টোস্টেরন বিপাক হার নারীদের তুলনায় ২০ গুণ বেশি।

স্বাস্থ্যগত প্রভাব:- সাধারণত এন্ড্রোজেন প্রোটিন সংশ্লেষণ করে এবং এন্ড্রোজেন রিসেপ্টর সংবলিত টিস্যুর বৃদ্ধি সাধন করে। টেস্টোস্টেরনের প্রভাবকে লিঙ্গিক(virilizing) এবং অ্যানাবলিক (Anabolic) এই দু ভাগে ভাগ করা যায়।মাংসপেশি বৃদ্ধি, হাড়ের ঘনত্ব(density)বৃদ্ধি, হাড়ের পূর্ণতা প্রাপ্তিতে উদ্দীপনা করা - এসব অ্যানাবলিক কাজ। যৌন অঙ্গের পূর্ণতা প্রদান করা, বিশেষ করে ফিটাসের শিশ্ন এবং শুক্রথলি তৈরি এবং বয়ঃসন্ধিকালে কণ্ঠস্বর গাঢ় হওয়া,দাড়ি এবং বগলের চুল বৃদ্ধি - এসব এন্ড্রোজেনিক কাজ।এসবের অনেক কিছুই পুরুষের সেকেন্ডারি যৌন বৈশিষ্ট্য।

বয়ঃসন্ধির পূর্বে:- শৈশবের পরে এন্ড্রোজেন লেভেল বৃদ্ধির লক্ষণীয় প্রভাব দেখা যায় ছেলে এবং মেয়ে উভয়েরই।যেমন-
  • বয়স্ক-টাইপ শরীরের গন্ধ
  • শ্রোণীদেশে চুল
  • বগলে চুল
  • উচ্চতায় বৃদ্ধি
  • গোঁফ গজান
বয়ঃসন্ধিকালে:- প্রাপ্তবয়স্ক নারীর এন্ড্রোজেনের মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি হলে বয়ঃসন্ধিকালিন প্রভাব দেখা যায়। ছেলেদের এই প্রভাব সচরাচর একটু দেরিতে হয় কিন্তু মেয়েদের রক্তে মুক্ত টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ অনেক দিন থেকে বেশি মাত্রায় থাকলে এমনটি দেখা যায়।
  • সিবেসিয়াস গ্রন্থি বেড়ে যাওয়া। এটি ব্রণের কারণ হতে পারে।
  • ভগাংকুর (Clitoris) বর্ধিত হওয়া
  • শ্রোণীদেশের চুল নিচে উরু এবং উপরে নাভী পর্যন্ত বিস্তৃত
  • মুখমণ্ডলে চুল (জুল্পি, গোঁফ, দাঁড়ি)। *মাথার চুল কমে যাওয়া
  • বুকে,বৃন্তের চারপাশে,নিতম্বের চারপাশে লোম
  • পায়ে পশম
  • বগলে চুল
  • মুখের উপরস্থ ফ্যাট কমে যাওয়া
  • পেশি বৃদ্ধি
  • গাঢ় কণ্ঠস্বর
  • পুরুষের উর্বরতা বৃদ্ধি
  • কাঁধ প্রসারিত, বুকের পাঁজর ফুলে যাওয়া
  • হাড়ের পূর্ণতা প্রাপ্তি এবং বৃদ্ধি রোহিত হওয়া
প্রাপ্ত বয়স্কদের উপর প্রভাব:- টেস্টোস্টেরনের প্রভাব বয়স্ক নারীর তুলনায় বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে আরো পরিষ্কারভাবে প্রমাণযোগ্য , কিন্তু উভয়ের জন্যই দরকারি। টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের পরে হ্রাস পাওয়ায় এইসবের কিছু প্রভাব প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে। স্বাভাবিক শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য টেস্টোস্টেরন ভুমিকা রাখে। এটি সারটলি কোষ এর জিনকে সক্রিয় করে।শারীরিক শক্তি নিয়ন্ত্রক।পেশী গঠন করে।তবে এর সন্তোষজনক মাত্রায় থাকা শুধু সাবালকত্ব প্রাপ্তি বা যৌবন কালের জন্যই নয়, সব সময়ের জন্য; এমনকি বৃদ্ধ বয়সের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সাবালকত্ব প্রাপ্তি ছাড়াও সাধারণ স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ, শরীর গঠন, যৌনক্রিয়া, এবং অন্য সকল শারীরিক কর্মকাণ্ডের জন্য শরীরে পরিমিত মাত্রায় টেসটোসটেরন হরমোন থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

উপরন্তু, আপনার টেস্টোরেনের মাত্রা বৃদ্ধি হতে পারে দ্রুত মাংসপেশি এবং জীবনীশক্তি লাভের কারণ; যা মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই হতে পারে।মজার ব্যাপার হলো, এটি নারীদের সুস্বাস্থ্য এবং যৌনতার ব্যাপারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।গবেষকরা বেশ জোরালোভাবেই এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, নারী-পুরুষ উভয়ের শরীরেই পরিমিত মাত্রায় টেস্টোরেন থাকা উচিত।বিশেষ করে ১৩ বছর বয়সে তো এটি অবশ্যই নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

২৫-৩০ বছর বয়স থেকেই একজন মানুষের টেসটোসটেরনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কমতে শুরু করে। এটা একটা সমস্যা। কারণ, গবেষণায় এটা জোরালোভাবে দেখা গেছে যে, স্বল্প মাত্রার টেসটোস্টেরনের সাথে স্থূলতা বা মেদবাহুল্য, রোগের ঝুঁকিবৃদ্ধি এবং অকালমৃত্যুর সম্পর্ক রয়েছে। গবেষণায় আরো পাওয়া যায়, এটি এমনকি নারীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ; তাদের অন্যান্য প্রধান হরমোন যেমন এস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরনের পাশাপাশি টেসটোস্টেরনের লেভেলও যথেষ্ট মাত্রায় থাকা প্রয়োজন। সুতরাং প্রত্যেকেরই উচিত টসটোস্টেরনের লেভেল সর্বোচ্চ মাত্রায় রাখতে তাদের জীবনধারায় বা লাইফস্টাইলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া।

পুরুষ হরমোন বৃদ্ধি করে যেসব খাবার:- ডিমের কুসুম, অলিভ অয়েল, নারকেল তেল, সেলারি, লাল মাংস, কড লিভার তেল, ব্লুবেরি, অ্যাভোকাডো, লাল আঙ্গুর, ঝিনুক বা শুক্তিসমূহ, গোমাংস যকৃত, কুমড়ো বীজ, মটরশুটি, অ্যাসপারাগাস, Chia বীজ, ডুমুর, আনারস, ওটমিল, পোল্ট্রি, Brussel অঙ্কুরিত , কাঁচা চকলেট, ব্রাজিল বাদাম, কলা, রসুন, ব্রকোলি, পেঁয়াজ, আদা, ডালিম, পার্সলে, গোলমরিচ, Sauerkraut, দধি, Mangosteen, কেল্প্, তরমুজ, শাক, বাঁধাকপি, প্রাণী হার্ট, বিছুটি রুটস, মধু, কিশমিশ, কাজুবাদাম, উচ্চমানের লবণ বা হিমালয় ক্রিস্টাল লবণ, স্যামন।
বিস্তারিত

Tuesday, October 14, 2014

মূত্রনালীর শোথ ঘা (Urinary Fistula) কারণ, লক্ষণ এবং হোমিও চিকিৎসা

মূত্রনালীর শোথ ঘা (Urinary Fistula) : সিফিলিস বা গনোরিয়া রোগের কারণে অনেক সময় মূত্রনালীর প্রদাহ সৃষ্টি হয়ে স্ফোটকের সৃষ্টি হয় এবং ইহাতে পুঁজ উত্পন্ন হয়। এক সময় ইহা ফেটে যায় এবং সেখানে ঘায়ের সৃষ্টি করে। এই জাতীয় ঘা বা ক্ষতকে ইউনারি ফিস্টুলা বলা হয়। এর ফলে মূত্রনালীর ভেতরে জ্বালাপোড়া এবং বেদনা প্রকাশ পায়। এই সকল ঘা বা ক্ষত সাধারণত সহজে শুকাতে চায় না এবং এ জাতীয় ক্ষত হতে ক্রমান্নয়ে পুঁজরক্ত পড়তে থাকে এবং রোগী অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করে থাকে। ধীরে ধীরে এই সকল ক্ষত ভয়ঙ্কর রূপ লাভ করে। আবার দেখা যায়, প্রস্রাব না হওয়ার জন্য হার্ড কাথিটার প্রবেশ করানোর জন্যও এই ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে থাকে।

কখনো কখনো এই জাতীয় ফিস্টুলা মূত্রনালীর অভ্যন্তর ভাগে একাধিক হতে পারে। এই নালীক্ষতের মুখ মূত্রনালীর সাথে যুক্ত হয়ে যায় এবং এর সঙ্গে প্রস্রাব স্বাভাবিক মূত্রছিদ্র দিয়ে অল্প পরিমানে বের হয় কিন্তু নালীক্ষতের মুখ দিয়ে অধিক পরিমান প্রস্রাব বের হয়ে থাকে। অনেক সময় দেখা যায় এই জাতীয় নালীক্ষত তেমন জ্বালা-যন্ত্রণা এবং বেদনার উদ্রেক করে না। আবার কোন কোন সময় ভয়ানক যন্ত্রণা করে, কেটে ফেলার মত বেদনা থাকে। মূত্রনালী প্রদাহান্নিত হয়ে ফুলে উঠে এবং অসহ্য যন্ত্রণা সৃষ্টি করে। মাঝে মাঝে এই যন্ত্রণা এত বেশি হয় যে রোগী তা সহ্য করতে পারে না। কখনো কখনো প্রস্রাব অবরুদ্ধ হয় আবার প্রস্রাব কালে ভয়ানক জ্বালাপোড়া করে।
এই ক্ষত যেহেতু অভ্যন্তর ভাগে সৃষ্টি হয় এবং প্রস্রাবের সাথে নানা প্রকার দূষিত ও উত্তেজক পদার্থের স্পর্শ লাগে সেই জন্য সহজে শুকাতে চায় না। এই জাতীয় রোগী প্রস্রাবের জ্বালা-যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে অনেক সময় চিত্কার করে উঠে। বস্তুত ইহা একটি ভয়ানক বেদনার রোগ বিশেষ।

মূত্রনালীর শোথ ঘা বা ইউনারি ফিস্টুলা (Urinary Fistula) নির্মূলে সফল এবং আরোগ্যকারী চিকিত্সা দিয়ে থাকেন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথরা। রোগীর সবগুলি লক্ষণ বিবেচনায় এনে যথাযথ ট্রিটমেন্ট দিলে কিছু দিনের মধ্যেই যাবতীয় জ্বালা-যন্ত্রণাকর উপসর্গসমূহ দূর হয়ে রোগী ধীরে ধীরে সুস্থতার দিকে এগোয় এবং একসময় কোন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই পরিপূর্ণ আরোগ্য লাভ করে থাকে।
বিস্তারিত