Showing posts with label বাতের ব্যথা. Show all posts
Showing posts with label বাতের ব্যথা. Show all posts

Friday, November 9, 2018

আথ্রাইটিস বা বাত (ঘাড়, হাঁটু, কোমর ব্যথা) থেকে মুক্তির কার্যকর হোমিও চিকিৎসা

যারা আথ্রাইটিস (Arthritis) বা বাত ব্যথায় ভুগছেন তারা বিষয়টি ভালো ভাবে জানার জন্য হয়তো খুঁজে চলেছেন - বাত ব্যথার, বাত ব্যথা থেকে মুক্তি, চিকিৎসা, ঔষধ, বাত ব্যথার, বাত ব্যথা বিশেষজ্ঞ, গেঁটে বাত, গাউট (Gout), হারের ব্যাথা, অস্টিও, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বিশেষজ্ঞ, বাতের হোমিও চিকিৎসা, বাত ব্যথার লক্ষণ, রস বাত, আম বাত ইত্যাদি। কিন্তু এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনাকে প্রথমেই এই ভিডিওটি দেখতে হবে -
আমাদের দেশে বাত শব্দটি বহুল প্রচলিত। শারীরিক বেশির ভাগ ব্যথাকেই আমরা বাত বলে থাকি। প্রকৃতপক্ষেই বেশিরভাগ শারীরিক ব্যথা বাত। তবে সব বাত এক নয়। দুই ধরনের বাত মানুষকে বেশি ভোগায়- গেটে বাত বা রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস এবং ক্ষয় বাত বা অস্টিও আথ্রাইটিস। এর মধ্যে অস্টিও আথ্রাইটিসে ভোগা রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। অস্টিও আথ্রাইটিস-এর কারণে ঘাড় কোমর বা হাঁটু ব্যথা হয়।

ঘাড় ব্যথা : ঘাড়ে সাতটি ছোট হাড় বা কশেরুকা থাকে। এই কশেরুকার আকার পরিবর্তন হয়ে ঘাড় থেকে বের হওয়া স্নায়ুতে চাপ পড়লে ঘাড় ব্যথা শুরু হয়। এই ব্যথা ঘাড় থেকে হাতে যায়, হাত ঝি ঝি ধরতে পারে। অনেক সময় হাতের আঙ্গুল অবশ মনে হয়। অনেকে মাথা ব্যথা বা কান ব্যথার অভিযোগও করে থাকেন। কারো কারো ব্যথা পিঠের দিকে চলে যায়।
আথ্রাইটিস বা বাত (ঘাড়, হাঁটু, কোমর ব্যথা) থেকে মুক্তির কার্যকর হোমিও চিকিৎসা
হাঁটু ব্যথা : অস্টিও আথ্রাইটিস জনিত হাঁটু ব্যথা খুব কমন। চল্লিশোর্ধ নারী-পুরুষ উভয়েই এই ধরনের ব্যথায় আক্রান্ত হতে পারেন। রোগীরা সিঁড়ি দিয়ে উঠতে নামতে, নামাজ পড়তে বেশি কষ্ট পান। যাদের কমোড নেই তারা ফ্রেস রুম ব্যবহারেও অসুবিধায় পড়ে যান। হাঁটুর ব্যথা সাধারণত হাঁটুতেই সীমাবদ্ধ থাকে।

কোমর ব্যথা : কোমড়ের পাঁচটি কশেরুকার এক বা একাধিক কশেরুকায় অস্টিও আথ্রাইটিস হলে কোমর ব্যথা হয়। ব্যথা কোমর থেকে পায়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে। অনেকের পায়ের ব্যথা কোমরের ব্যথার চেয়ে তীব্র হয়। হাঁটলে ব্যথা বাড়তে পারে। স্বাভাবিক নিয়মে সেজদা রুকুও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। কোমর ব্যথায় ভোগা অনেকের স্বাভাবিক জীবনে ছন্দপতন ঘটে।

বাত ব্যথার চিকিৎসা

বর্তমানে সমগ্র বিশ্বে সমস্ত প্রকার বাত ব্যথা স্থায়ী ভাবে নির্মূলের এক নম্বর চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। তবে এই সমস্যা থেকে পরিত্রানের জন্য আপনাকে লোকাল হোমিও চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ট্রিটমেন্ট নিতে হবে। তবে এই সমস্যা থেকে আপনি মুক্তি লাভ করবেন ইনশাল্লাহ। 
বিস্তারিত

Saturday, October 20, 2018

বাতের ব্যথা - কারণ, লক্ষণ এবং এর থেকে মুক্তির উপায়।

বয়সকালে হাড়ের সন্ধিস্থলে ও মাংসপেশিতে ব্যথা হয়। যাকে সহজ ভাষায় বাতের ব্যথা বলা হয়। ‘বাত’ শব্দটি আমাদের সমাজে বহুল আলোচিত শব্দ। শরীর ব্যথা বিশেষ করে যে কোনো জয়েন্ট বা গিরায় ব্যথা হলেই তাকে আমরা বাত বলে থাকি। এছাড়া ঘাড়, কোমরে ব্যথা এবং এই ব্যথা হাত কিংবা পায়ের দিকে ছড়িয়ে গেলেও তার নাম হয়ে যায় বাত। বাতের ব্যথা অমাবস্যায় বাড়ে, পানির জোয়ারে বাড়ে কিংবা শীতে এর প্রকোপ বেশি হয় এমন কথা ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে। আমাদের দেশে অনেক মানুষ বাতের ব্যথায় ভুগছেন। এই ব্যথা বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। ডাক্তারের পরিভাষায় আথ্রাইটিস বলে।
এর ফলে হাড়ের বিবৃতি ঘটে। পুরুষের তুলনায় মহিলারা এই রোগে বেশি ভোগে। খাদ্য তালিকায় অপর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম গ্রহণ, ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে সংশ্লেষণ না হওয়া এবং অতিরিক্ত কায়িক পরিশ্রম করার ফলে হাড় ক্ষয়ের সম্ভাবনা থাকে। পক্ষান্তরে বেশি পরিশ্রম না করার ফলে স্থূলতা মেনোপোজও অস্টিওআর্থ্রাইটিসের অন্যতম কারণ বলে ধরা যায়। ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড়ের ভেতরের অংশ ফাঁপা হয়ে যায়, ফলে শরীরের অতিরিক্ত ওজনের চাপ হাড়ের ওপর পড়ে এবং হাড় বাঁকা হতে শুরু করে। এক সময় দ্রুত তা ক্ষয় হতে হতে ভেঙে যায়। বড়দের এ সমস্যাকে অস্টিওম্যালাসিয়া বলে।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের শারীরিক, মানসিক শক্তি ও দেহ কোষের কর্মক্ষমতা বা সামর্থ্য ধীরে ধীরে কমতে থাকে। টিস্যুর এই সামর্থ্য ক্রমাবনতির হার বিভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনুপাতে হয়। ৫০/৬০ বছর বয়সের ব্যক্তিরা ভুগতে পারেন বিভিন্ন ধরনের বার্ধক্য জনিত সমস্যা ও জয়েন্ট বা মাংস পেশির ব্যথায় যাকে আমরা সহজ ভাষায় বাত বলে জানি। সাধারণত মহিলাদের ৪০ বছর পর পুরুষরা ৫০ বছর পর বয়সজনিত জয়েন্টের সমস্যায় ভুগে থাকেন। আমাদের দেশের ৫০ উর্দ্ধ জনসংখ্যার শতকরা ৬৫ ভাগ লোক ব্যথা জনিত সমস্যায় ভোগেন।
বাতের ব্যথা - কারণ, লক্ষণ এবং এর থেকে মুক্তির উপায়।
বিশেষ করে যেসব জয়েন্ট শরীরের ওজন বহন করে এবং অতিরিক্ত ব্যবহৃত হয় যেমনঃ ঘাড়, কোমর, স্কন্ধ বা সোল্ডার জয়েন্ট এবং হাটু ব্যথার রোগী সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। বাতের ব্যথার অনেক কারণ রয়েছে তার মধ্যে ৯০ ভাগ হচ্ছে ‘মেকানিকেল সমস্যা’। মেকানিকেল সমস্যা বলতে মেরুদণ্ডের মাংস পেশি, লিগামেন্ট মচকানো বা আংশিক ছিড়ে যাওয়া, দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিক্স সমস্যা, কশেরুকার অবস্থানের পরিবর্তনকে বুঝায়। অন্যান্য কারণের মধ্যে বয়সজনিত হাঁড় ও জোড়ার ক্ষয় বা বৃদ্ধি, রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস বা গেটেবাত, অষ্টিওআথ্রাইটিস, অষ্টিওপোরোসিস, এনকাইলজিং স্পন্ডাইলোসিস, বার্সাইটিস, টেন্ডিনাইটিস, স্নায়ুবিক রোগ, টিউমার, ক্যান্সার, মাংস পেশির রোগ, শরীরে ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, শরীরের অতিরিক্ত ওজন ইত্যাদি।

এভাবে চলতে থাকলে আস্তে আস্তে রোগী তার দেহের জোড়ার কর্ম ক্ষমতা বা নড়াচড়ার ক্ষমতা হারায় এবং জোড়া সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে রোগী পঙ্গুত্ব বরণ করতে পারে। অনেক সময় দীর্ঘদিন রোগেভোগে শরীরের মাংস পেশীগুলোও শুকিয়ে যেতে পারে।

তাই বাতের ব্যথা নিয়ে কষ্ট না পেয়ে যতদ্রুত সম্ভব হোমিও চিকিৎসা নিতে হবে এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যাহারা বাতের ব্যথায় ভূগছেন তারা একজন বিশেষজ্ঞ একজন হোমিওচিকিৎসকের  এই সমস্যায় আপনি অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তারের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিয়ে এই রোগ থেকে মুক্তি লাভ করতে পারেন। 
বিস্তারিত